তিনি বলেন, ওই স্কুলের শিক্ষার্থী এবং ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীসহ আশেপাশের শিশু কিশোররা মাঠে খেলাধুলা করেন। আবার বিকাল হলে এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ভলিবল, ফুটবল ও ক্রিকেটসহ নানা ধরনের খেলাধুলা করেন। দুই প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে নতুন ভবন তৈরি হলে মাঠের সৌন্দর্যসহ মাঠের পরিধি কমে আসবে।
এলাকাবাসীর পক্ষেআহসানুল আরেফিন তিতু, আব্দুল আলিম বিন মওদুদ অভিযোগ করে বলেন, পাশেই জমি থাকা সত্ত্বেও ইউএনও মাঠের মাঝখানে ভবন তৈরির নির্দেশ দেন। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই ইউএনও এর সঙ্গে যোগসাজশ করে তিনিও বাধ সাধেন। এতে করে খোলার মাঠটি খেলাধুলার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সুধারঞ্জন রায় বলেন, ‘উন্নয়নের স্বার্থে ভবনটির দরকার আছে। তবে তার বিদ্যালয়ের পাশেই যথেষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি মাঠের মাঝখানে ভবন করছেন আমার বুঝে আসে না। আমরাও চাই মাঠের সীমানা ঠিক রেখে ভবনটি তৈরি করা হোক।’
এ ব্যাপারেপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই বলেন, ‘এটা উপজেলা প্রকৌশলীর বিষয়, তারা বরাদ্দ দিয়েছেন। বিদ্যালয় মাঠে চারতলা ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এতে ছাত্র/ছাত্রীদের খেলাধুলা বন্ধ হওয়ার কথা নয়। তবে এক শ্রেণির লোকজন উন্নয়ন কাজের বাধা সৃষ্টি করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত করে ভবন নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে আমার করার কিছুই নেই।’
শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকালে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা খেলার মাঠও চাই, আবার ভবনও চাই। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠের একান্ত দরকার।’