পঞ্চগড়ে সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শীত পড়ে। কিন্তু এবার আগেভাগেই শীত পড়েছে। বিকালের পর থেকেই কুয়াশা দেখা দেয়। আর রাতে হিমেল হাওয়া বইছে। অনেকেই লেপ-কাঁথা বের করেছেন। আগাম শীতের কারণে অনেকে নতুন করে লেপ-তোষক বানাচ্ছেন। শীতের কাপড়ের দোকানেও ভিড় বাড়ছে। যানবাহনে যাতায়াত ও চলাচল করলে গরম কাপড় পড়তে হচ্ছে। কুয়াশার জন্য ভোর বেলায় যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে যাতায়াত করছে। লঘু চাপ কমে গেলে শীতের দাপট বাড়তে থাকবে বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম।
জেলা শহরের ডোকরোপাড়া এলাকার গৃহিণী নাজমা রহমান জানান, লেপ কাঁথা বের করা হয়েছে। রাতে কাঁথা গায়ে দিতে হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু হানিফ জানান,এই সময়ে হালকা বৃষ্টি হয়। এটা কোনও সমস্যা নয়। তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হলে শীতকালীন শাকসবজি চাষাবাদ দেরি হয়ে যাবে। তবে অন্যান্য ফল ও ফসলের কোনও ক্ষতি হবে না।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সিরাজউদ্দৌলা পলিন জানান, এখনও শীতে আক্রান্ত রোগী ভর্তি শুরু হয়নি। তবে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগী ভর্তি আছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শীত মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি।