বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান হোসেন মেহেদী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শাপলা চিকিৎসকের কাছে গলাব্যথার কথা উল্লেখ করে কাশি দিতে থাকে। তবে শাপলা বেগমের শরীরে জ্বর বা করোনার অন্য কোনও উপসর্গ ছিল না। শাপলা বেগমকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। শুক্রবার নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানান, জামিনে সুবিধা পেতে ওই নারী গলাব্যথার কথা উল্লেখ করে ইচ্ছাকৃতভাবে কাশি শুরু করেন।
বিরামপুরের দাউদপুর বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার হেলাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শাপলা বেগমকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১৪৫টি ইয়াবাসহ কাটলা সীমান্তে আটক করা হয়। ঘটনায় দাউদপুর ক্যাম্পের নায়েক খোরশেদ আলম বাদী হয়ে মামলা করে শাপলাকে বিরামপুর থানায় পাঠায়।
বিরামপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মিথুন সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, থানায় ওই নারী জ্বর ও গলা ব্যথার কথা উল্লেখ করে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। শাপলা বেগম বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার সুলতাপুর গ্রামের জাকিরুল ইসলামের স্ত্রী। সে বগুড়ার একতা ক্লিনিকের আয়া হিসেবে কর্মরত আছেন।