শৃঙ্খলা ভঙ্গ আর সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ নেতাকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর এবার ১৫ জনকে শোকজ করা হয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের এই ১৫ নেতাকে তিন দিনের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) রাত পৌনে ১২টায় রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাব্বির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম তানিম আহসান চপল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তারা হলেন- রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাওছার হোসেন নয়ন, সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহজালাল, পীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল মামুন কাওছার রতন, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, পীরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক সাগর, সাধারণ সম্পাদক শাহেদ প্রধান, কাউনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিবুল হাসান রিছন ও আব্দুর রাজ্জাক, বদরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসান, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মোস্তফা কামাল বাবু ও সাধারণ সম্পাদক সাকিব ইসলাম, পীরগাছা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. প্রতীক খন্দকার, কাউনিয়া কলেজ শাখার সভাপতি মুন্না সরকার ও হারাগাছ সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রিয়াল।
জেলা ছাত্রলীগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ছাত্রসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এই সভা আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভাতে দায়িত্বশীল নেতারা কেউই উপস্থিত ছিলেন না। তাদের আগাম জানানোর পরও তারা সভায় আসেননি।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যেসব নেতৃবৃন্দ সভায় আসেননি তাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত প্রতিবেদন আকারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সশরীরে উপস্থিত হয়ে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাব্বির আহমেদ জানান, জরুরি বর্ধিত সভায় উপস্থিত হওয়ায় আহ্বান জানানোর পরও যেসব নেতৃবৃন্দ আসেননি তাদেরকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এটা সভার সিদ্ধান্ত।