চম্পা রাণী দেব কমলগঞ্জ উপজেলার মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা ও মৌভলীবাজার সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিপন কুমার দাসের স্ত্রী ছিলেন।
জানা যায়, চম্পা রাণীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে তার স্বামী তাকে লেক ভিউ হাসপাতালে ভর্তি করে। ডাক্তার সুধাকর কৈরীর পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত সময় অপারেশনের কথা ছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নির্ধারিত সময়ের ২ ঘণ্টা আগে তার সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। এতে শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ হওয়ায় চম্পা রাণীর মৃত্যু হয়।
চম্পা রাণীর স্বামী রিপন কুমার দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারের অসচেতনতার কারণে আমার স্ত্রী বাচ্চা প্রসবের পরই মারা যান। টাকার লোভে তারা তড়িঘড়ি করে অপারেশন করতে গিয়ে আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। ভবিষ্যতে যাতে আমার মতো আর কেউ এরকম স্ত্রীকে না হারায় এর জন্য আমি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের প্রসূতি ডাক্তার সুধাকর কৈরী জানান, নির্দিষ্ট সময়ে রক্তের যোগান না দেওয়ার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে।এজন্য তিনি কোনওভাবেই দায়ী নন।তবে রক্তের যোগান না করেই কেন তারা অপারেশন থিয়েটারে ঢুকলেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোগীর মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন, তার স্বামী ও নিকটাত্মীয়দের রক্তের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছিল। তবে তারা নির্দিষ্ট সময়ে রক্ত জোগাড় করতে পারেননি।
আরও পড়ুন: ৫০০ বছরের পুরানো খোজার মসজিদের স্থাপত্যকলা বিনষ্টের পথে
/এআর/টিএন/আপ-এআর/