হবিগঞ্জে দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে গরু মোটাতাজাকরণ

দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে গরু মোটাতাজাকরণকোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের গরুর খামারগুলোতে চলছে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ। নিরাপদ গো-মাংস নিশ্চিত করতে হবিগঞ্জে ৮০টি গরুর খামার গড়ে উঠেছে। খামারগুলোতে কোনও ধরনের নিষিদ্ধ ট্যাবলেট ও ইঞ্জেকশন ছাড়াই গরু মোটাতাজাকরণের কাজ চলছে। দেশীয় পদ্ধতিতে পালন করা এসব গরুর বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা সার্বক্ষণিক খামারগুলোতে মনিটরিং করছেন।

ঈদকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের ৭৮টি ইউনিয়নের প্রায় ৮০টি গরুর খামারে খামারিরা এখন ব্যস্ত গরু মোটাতাজাকরণ কাজে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খামারে নিয়োজিত শ্রমিকরা গরুর যত্ন করতে তৎপর। খৈল, ভূষি, কচুরিপানা, ঘাসসহ দেশীয় খাবার দিয়ে গরু মোটাতাজা করছেন খামারিরা। প্রতিটি গরু ৮০ হাজার টাকা থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

শহরের একটি গরুর খামারের মালিক শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু রয়েছে। এসব গরু এক লাখ থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা যাবে। প্রতিটি গরুই দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হয়েছে। কোনও ধরনের ট্যাবলেট কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি। যে কারনে দেশীয় গরুর চাহিদা বেশি।’

দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে গরু মোটাতাজাকরণখামারের শ্রমিক প্রদীপ সরকার বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজন শ্রমিক প্রতিনিয়ত খামারের গরুদের দেশীয় খাবার দিয়ে আসছি। দেশীয় খাবার দিয়েই গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আমরা সার্বক্ষণিক পশু হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে গরুর যত্ন নিয়ে থাকি। এখানে কোনও ধরনের ভেজাল নেই। যে কারণে দেশীয় গরুর চাহিদা বাজারে বেশি।

জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ জেড এম ওয়াহিদুল আলম জানান, জেলার প্রতিটি খামারে প্রাণিসম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে গরু মোটাতাজাকরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খামারিরা কোনও ওষুধ কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার না করেন সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

শেরপুরে স্কুলমাঠে গবাদিপশুর হাট, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি 

বিএনপির রঙিন খোয়াব ভণ্ডুল হয়ে গেছে: ওবায়দুল কাদের