বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ইমাদের বাসায় পড়ার টেবিলে ওই চিঠি পাওয়া যায়। পরিবারের ধারণা, পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে ইমাদ নিরুদ্দেশ হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-২০২১) করেছেন ইমাদের বড় ভাই বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সিলেটের পরিদর্শক জিল্লুর রহমান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘ইমাদ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ পড়ার জন্য বাসা থেকে বের হয় সে। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার পড়ার টেবিলে একটি চিঠি পাওয়া যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইলও বাসায়। তার ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেটেড। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পাওয়ায় থানায় জিডি করেছি। আমরা ধারণা করছি, সে পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে চলে গেছে।’
এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌছুল হোসেন জানান, সিলেটের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ইমাদ আহমেদ চৌধুরী বাসায় একটি চিঠি লিখে নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে। থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত ডায়েরি হলে পুলিশ তদন্তে নামে। অধিকাংশ সময় তদন্তকালীন পর্যন্ত খোঁজ মেলে। তা না হলে সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়।
ওসি আরও বলেন, ‘চিঠি লিখে যাওয়ায় বিষয়টি পারিবারিক কোনও সমস্যা থেকে ঘটেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে আত্মগোপনে রয়েছেন।’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, থানায় সাধারণ ডায়েরি হওয়ার পর থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও তদন্তে নেমেছে। লিডিং ইউনিভার্সিটিকে কেন্দ্র করেও তদন্তকাজ চালানো হচ্ছে। বাসায় মোবাইল রেখে যাওয়া এবং ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট থাকায় নানা ধরনের সন্দেহ দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে ইমাদের পরিবারের কাছ থেকে তার সহপাঠীদের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।