শুক্রবার (২৭ জুলাই) রাতে নগরের কাজীটুলাস্থ প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আরিফ।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমার নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, গ্রেফতার, বাসাবাড়িতে তল্লাশির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসনের কিছু সংখ্যক সদস্যদের যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে আমার নেতাকর্মীদের ফাঁসাতে ককটেল হামলা, কার্যালয় পোড়ানোসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। এ অবস্থায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের অবাধে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে আমি শঙ্কিত।’
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী কামরানের কর্মীবাহিনী দিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কুশিঘাটে নিজের নির্বাচনি অফিস পুড়িয়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক নাটক সাজিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এছাড়াও বিএনপির দুই কর্মীর খোঁজ করতে গিয়ে শাহজালাল উপশহরে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হলেও পরদিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ওপর মিথ্যা মামলা দেওয়া হলো। একইভাবে দক্ষিণ সুরমায় পুলিশের ওপর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিএনপির ৪৮ নেতাকর্মীর নামোল্লেখ করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ককটেল, আগুন সন্ত্রাস, প্রশাসনের একপেশে আচরণ বন্ধ না হলে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।’