বহিষ্কৃতরা হচ্ছেন-সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ’র মো. সাগর হোসাইন, এমবিএ’র আলাউর খান ইমরান, এলএলবি’র ইলিয়াস আহমেদ পুনম, ইংরেজি বিভাগের আনিসুর রহমান আনিস, বিবিএ’র মইনুল ইসলাম মইনুল, আশিক উদ্দিন আশিক, এলএলবি’র আব্দুল আউয়াল সোহান, ইংরেজি বিভাগের বশির উদ্দিন আহমেদ তুহিন, বিবিএ’র সুজন মিয়া, এলএলবি’র হারুন রশিদ হারুন, বিবিএ’র কাজী কামরুল আহমেদ, বিবিএ’র নয়ন রায়, ইসিই’র সাইদুর রহমান সায়মন, বিবিএ’র বিশ্বজিৎ দে বাপন ও বিবিএ’র সায়েদুর রহমান সুমন।
জনসংযোগ পরিচালক তারেক উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ড তদন্তে গঠিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ও প্রক্টরিয়াল বডির প্রতিবেদন অনুযায়ী সিন্ডিকেট সভায় ১৫ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগের ব্যাপারেও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার দাসের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ, শামসি বেগম, রাজিব আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. ইউনুস, বিজিত চৌধুরী, প্রফেসর মোহাম্মদ রুহুল আমীন ও রেজিস্ট্রার নসরত আফজা চৌধুরী।
উল্লেখ্য, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রধান ফটকের সামনে গত ১৯ জানুয়ারি হামলার শিকার হন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী কাজী হাবিবুর রহমান হাবিব। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই মারা যান তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে হামলাকারী হিসেবে ছাত্রলীগ কর্মীদের সনাক্ত করা হয়।
/এআর/