ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীদের কাজে লাগাতে পথ খুঁজে বের করতে বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘আমার খুব দুঃখ লাগে, আমার দলের ছেলেমেয়েরা, ছাত্রলীগের, যুবলীগের নেতারা চাকরি করতে পারে না, ব্যবসাও করতে পারে না। সামান্য ব্যবসা করতে গেলে তাদের দুর্নাম হয়। চাকরিও তারা সহজে পায় না। কিন্তু তারা দেশের সম্পদ। তাদের স্পিরিট, কমিউনিকেশন স্কিল অ্যান্ড অ্যাফোর্ড কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে পথ আমাদের বের করতে হবে।’
শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সিলেট জ্ঞানী-গুণী মানুষদের শহর, কিন্তু দুঃখের বিষয়, পড়াশোনায় সিলেট এখন অনেক পিছিয়ে গেছে। আমি ছাত্রছাত্রীদের বলি, তোমরা আন্দোলন করো, তবে শিক্ষাটা ছেড়ো না।’
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার আলাদা দরদ ও দায়বদ্ধতা আছে। বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশে দ্বিতীয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রথম হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
এ সময় সৈয়দ মুজতবা আলী বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রভাষার এক অগ্রদূত ছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী। তার নামের আবাসিক হলে আসন পাওয়া শিক্ষার্থীরা সৌভাগ্যবান।
শাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কোষাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল ইসলাম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি আখতারুল ইসলাম, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক আমিনা পারভীন, প্রক্টর মো. ইশরাত ইবনে ইসমাইল, ছাত্র প্রতিনিধি খলিলুর রহমান, হলের প্রাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবু সাইদ আরেফিন খান, সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাতিজা সৈয়দ রুহুল আমিন প্রমুখ।