সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় তেলবাহী পদ্মা অয়েল কোম্পানির ট্রাকের ধাক্কায় আটোরিকশার যাত্রী এক পরিবারের তিন জনসহ চার জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও তিন জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিন জন। তারা হলেন- নিয়ামত আলী (৩৫), তার স্ত্রী (২৮) ও তাদের ১০ বছরের মেয়েসন্তান। তাদের বাড়ি জগন্নাথপুরের শ্রীরমাসী গ্রামে। এ ছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক লালন মিয়া নিহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, শেরপুর থেকে সিলেটগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে বিপরীত দিকে আসা তেলবাহী ট্রাকটি ধাক্কা দেয়। এতে দুমড়েমুচড়ে যায় অটোরিকশাটি। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে অটোরিকশার চালকসহ সাত যাত্রীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চার জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সালাহউদ্দিন চৌধুরী চার জনের মৃত্যুর বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত সাত জনকে ওসমানী হাসপাতালে আনা হলে চার জনের মৃত্যু হয়। বাকি তিন জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘গুরুতর আহত সাত জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে চার জন মারা গেছেন। বাকি তিন জন চিকিৎসাধীন আছেন।’
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘ঢাকাগামী পদ্মা অয়েল কোম্পানির তেলবাহী ট্রাকটি বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে চাপা দিলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।’
এর আগে গত ৭ আগস্ট সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নয় জন নিহত হয়েছিল। একই উপজেলার সড়কে আবার দুর্ঘটনা ঘটলো।