থামেন, কোনও ভাই-ব্রাদারের পক্ষে নয়, স্লোগান হবে তারেক জিয়ার পক্ষে: হট্টগোল দেখে মন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উপস্থিতিতে হবিগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমদ আলী মুকিবের অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি স্লোগানকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্লোগান বন্ধ করার আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে হবিগঞ্জ পৌরসভা মাঠে জেলা বিএনপির উদ্যোগে ‌‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে’ এ ঘটনা ঘটে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বক্তব্য দেওয়ার আগে জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমদ আলী মুকিবের অনুসারীরা নিজ নিজ নেতার নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে সমাবেশস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএনপির নেতৃবৃন্দ স্লোগান বন্ধের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী মাইক হাতে নিয়ে একাধিকবার স্লোগান বন্ধ করার অনুরোধ জানান। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই থামেন, কোনও ভাই-ব্রাদারের পক্ষে স্লোগান হবে না। স্লোগান হবে জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে, খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান ও তারেক জিয়ার পক্ষে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বহিষ্কার করেছেন এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।’

সমাবেশে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তারের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম ইসলাম তরফদার তনুর পরিচালনায় বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমদ আলী মুকিব এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী।