ছোটবেলা থেকেই কাদার মতো নরম মনের জমিনে এই বীজ রোপণ করেছিলেন পরাণের বাবা। শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে দুরন্ত যৌবনে সেদিনের সেই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে আজ মহীরুহের আকার নিয়েছে। তাই বারোমাসই পরাণের অভাবের সংসারে পাখির অবাধ বিচরণ। হাঁড়িতে ভাত না থাকলেও পাখির জন্য ঠিক খাবার জুটে যায়। তার মেয়ে সন্তান পাখি আর প্রকৃতির পাখির মধ্যে পরাণ কোনোও তফাৎ খুঁজে পায় না।
তাইতো পাখি শিকারে কেঁদে ওঠে তার মন। খাঁচায় বন্দী পাখি দেখলে পরাধীনতা ছুঁয়ে যায় বার বার। একদিন সত্যি সত্যি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলে পরাণ। গাঁয়ের প্রভাবশালী মেম্বারের পাখি ছেড়ে দেয়। মুক্তির স্বাদ উভয়কেই উল্লাসিত করে। পরক্ষণেই নেমে আসে বিষাদের কালো ছায়া।
পাখি ছাড়ার অপরাধে পরাণের ওপর দিয়ে অনেক ঝড়-তুফান বয়ে যায়। গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয় তাকে। তারপরও মেম্বারের নির্যাতনের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে নীল আকাশের মায়াবী-মাধবী চাঁদ। সে চাঁদের আলোর বৃষ্টিতে অবগাহন করে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। গান গায়। নির্জন রাতের এক সময় পাহারাদারের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় পরাণ। টেলিফিল্মের বাকি অংশই দেবে তার উত্তর।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিশেষ এ টেলিফিল্মটি প্রচার হবে ৩ জুন চ্যানেল আইতে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে।
/এমএম/