ভোট দিয়েই নোয়াখালীর উদ্দেশে ছুট

Untitled-1কথা ছিল, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নোয়াখালীতে শুরু হবে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের চলচ্চিত্র ‌‘গাঙচিল’-এর শুটিং। চলবে পাক্কা ৭ দিন।
কিন্তু শুরুর দিনেই ঢাকার নগরপিতা নির্বাচন। তাই দুই কূলই রক্ষা করলেন তারা। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালবেলা ভোট দিয়েই এর প্রধান শিল্পীরা ছুট দিলেন নোয়াখালীর উদ্দেশে। সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার দিকে নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে রওনা দেন নেয়ামূল, ফেরদৌস, পূর্ণিমা ও আনিসুর রহমান মিলন।
বেলা ৪টায় যখন পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়, তখন তার পাশ থেকে ভেসে আসে শুটিংয়ের শব্দ।
মুঠোফোনে কথার মাঝেই পরিচালকের নির্দেশনাও চলে। নেয়ামূল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভোট দিয়েই আমরা সোজা নোয়াখালী এসেছি। ভোটের জন্য আমরা শুটিং দুপুরের পর শুরু করলাম। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আমরা টানা ৭ দিন শুটিং করবো।’
এদিকে অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন তার ফেসবুকে ভোট দেওয়ার পর আঙুলের চিহ্ন নিয়ে একটি ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে আরও ছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।
আজ থেকে নোয়াখালীতে শুরু হয় ‘গাঙচিল’-এর শুটিং। এটির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে আছে বলে জানালেন পরিচালক। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস ‘গাঙচিল’ অবলম্বনে ছবির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। এতে সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করছেন ফেরদৌস আর পূর্ণিমাকে দেখা যাবে এনজিওকর্মীর চরিত্রে। অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে।
এতে আরও অভিনয় করছেন তারিক আনাম খান, আহসানুল হক মিনুসহ অনেকে।
‘গাঙচিল’-এর গল্প সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্বনামের উপন্যাস থেকে নেওয়া। মন্ত্রীর নিজ নির্বাচনি এলাকার একটি গ্রামের নাম গাঙচিল। মূলত এ গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র নিয়ে উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।