থাকছে গত বছর প্রকাশিত নাটক, সিনেমা ও গানের রেশ ধরে কুশলীদের স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থাও।
আজীবন সম্মাননা প্রসঙ্গে ফেরদৌস ওয়াহিদ বলন, ‘আমি সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ চ্যানেল আইর প্রতি, এত বড় সম্মাননায় সম্মানিত করার জন্য। আমি ভেবেছিলাম আসছে বছর থেকে গান ছেড়ে দিবো, কিন্তু তার আগেই এত বড় প্রাপ্তি আশা করিনি।’
আজীবন সম্মাননা ও নানা স্বীকৃতি প্রদানের ফাঁকে ফাঁকে এই মঞ্চে থাকবে নানা চমক। এরমধ্যে রয়েছে জুটিবেঁধে ফেরদৌস ও কণা, তাহসান ও টিনা, ইমরান ও সিঁথি সাহার তিনটি চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স।
এ প্রসঙ্গে টিনা রাসেল বলেন, ‘মঞ্চে শুধু গানই নয়, থাকবে কোরিওগ্রাফির চমকও। এটা নিশ্চয়ই নতুন কিছু হতে যাচ্ছে। মঞ্চে উঠে মূলত গানটাই গাইবো, তবে সেটি একটু ভিন্ন আদলে। চমক থাকবে আমাদের পারফরম্যান্সে। এর বেশি বলে দর্শকদের আগ্রহ নষ্ট করতে চাই না।’
‘ঐক্য চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস ২০২০’-এ পুরস্কারের ক্যাটাগরিগুলো হলো- আজীবন সম্মাননা ও বিশেষ সম্মাননা, শ্রেষ্ঠ উচ্চাঙ্গসংগীত (যন্ত্র), শ্রেষ্ঠ উচ্চাঙ্গসংগীত (কণ্ঠ), নজরুলসংগীত, শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রসংগীত, শ্রেষ্ঠ লোকসংগীত, শ্রেষ্ঠ আধুনিক গান, শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড, শ্রেষ্ঠ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, শ্রেষ্ঠ নবাগত শিল্পী, শ্রেষ্ঠ ছায়াছবির গান, শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (আধুনিক), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (ছায়াছবি), শ্রেষ্ঠ গীতিকার (আধুনিক), শ্রেষ্ঠ গীতিকার (ছায়াছবি), শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও, শ্রেষ্ঠ অনলাইন পপুলার ক্রিয়েশন, শ্রেষ্ঠ শিল্পী, যন্ত্রসংগীত, মুজিব শতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর গান (শ্রেষ্ঠ শিল্পী), মুজিব শতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর গান (শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক), মুজিব শতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর গান (শ্রেষ্ঠ গীতিকার) এবং শ্রেষ্ঠ অডিও কোম্পানি।
গত বছর এই আসর থেকে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন আধুনিক গানে রফিকুল আলম ও গণসংগীতে ফকির আলমগীর।