তারকারা সবসময়ই আলোচনায় থাকতে চান। এ কারণে অনেক সময় মন্তব্য করতে কেউ কারও চেয়ে কম যান না। অনেক সময় এমন কিছু অদ্ভুত কথা বলেন, যে শুনলে হাসবেন না ভাববেন বুঝতেই পারবেন না।
অমিতাভ বচ্চন
ভারতের লাইভ খেলা কখনোই দেখেন না তিনি। তার দৃঢ় বিশ্বাস, তিনি খেলা দেখতে বসলেই প্রিয় দল হেরে যাবে।
জুহি চাওলা
এই বলিউড তারকা সম্প্রতি বেশ চাউর হয়েছেন ফাইভ-জি প্রযুক্তির বিরুদ্ধে। তিনি বলছেন, এটা পরিবেশের জন্য দারুণ হুমকি। এমনকি দিল্লি হাইকোর্টে মামলাও করতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত অবশ্য তার যুক্তি আমলে নেয়নি কেউ।
শাহরুখ খান
‘বলিউড বাদশাহ’ বলা হয় শাহরুখ খানকে। করেছেন ‘রা ওয়ান’র মতো প্রযুক্তিনির্ভর ছবিও। কিন্তু তিনি একটি কুসংস্কার খুব মানেন। তা হলো ৫৫৫ সংখ্যা। তিনি মনে করেন, এটি তার জন্য সৌভাগ্যের। এতটাই বিশ্বাস করেন যে তার সব যানবাহনে এই নম্বরটি থাকে।
পূজা বেদি
রীতিমতো কোভিড ভ্যাকসিন-এর বিরুদ্ধে বলেছেন একসময়কার নামকরা এ তারকা। তার মতে, কোভিড ভ্যাকসিন নাকি অশুভ ও অযৌক্তিক!
শিল্পা শেঠি
মানুষ একটি ঘড়ি পরে সময়জ্ঞান ঠিক রাখতে। আর শিল্পা দুটি ঘড়ি পরেন যেন সময়টা তার হাতের মুঠোয় (কিংবা কবজিতে) থাকে। মানে সময়কে আয়ত্তে আনতে ঘড়ির ওপর দারুণ ভরসা এ অভিনেত্রীর!
আমির খান
এমনিতে কোনও কুসংস্কারের ধার ধারেন না তিনি। শুধু একটাই ‘সমস্যা’- ডিসেম্বর বা বড়দিনকে সিনেমা মুক্তির জন্য শুভক্ষণ মানেন তিনি।
ক্যাটরিনা কাইফ
সিনেমা মুক্তি থেকে নিজের সফলতা, সবকিছুর পেছনে আজমির শরিফকে কৃতিত্ব দেন ক্যাটরিনা কাইফ। সময় সুযোগ পেলেই চেহারা ঢেকেঢুকে সেখানে চলে যান এ অভিনেত্রী। অবশ্য একবার সেখানে মিনি স্কার্ট পরে শুটিং করায় সমালোচিতও হয়েছিলেন ক্যাটরিনা।
কঙ্গনা রনৌত
বলিউডের এই আলোচিত তারকা ‘ইন্ডিয়া' শব্দটির বিপক্ষে। তিনি মনে করেন দেশটাকে সব সময় ‘ভারত'ই বলা উচিত।
সোনম কাপুর
সোনম মনে করেন তার ‘কর্মফল'-এর কারণে তিনি ‘এ জন্মে’ তারকা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। এ নিয়ে প্রায়ই তাকে গর্ব করতে দেখা যায়।
অক্ষয় কুমার
বলিউডের প্রথম সারির এই তারকা মনে করেন, তার কাজ অন্য যেকোনও কাজের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক। আবার নিজের সিনেমা মুক্তির সময় তিনি দেশেই থাকেন না! দেশে নিজের উপস্থিতিকে তিনি সিনেমার জন্য অলক্ষুণে ভাবেন!
সালমান খান
নীলকান্তমণির ব্রেসলেট পরেই থাকেন সাল্লু ভাই। সঙ্গে একটা লকেটও। এসব ছাড়া শুটিংয়েও আসতে চান না।
সাইফ আলি খান
এই তারকার ধারণা, একজন অভিনেতার কাজ ডাক্তারি পেশার মতো। অভিনয় পেশাটি সার্জারি করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয় তার কাছে।
রাখি সাওয়ান্ত
বিভিন্ন সময়ে উদ্ভট মন্তব্য করে আলোচিত হওয়া এই তারকা একবার বলেছিলেন, দেশে সিলিং ফ্যান নিষিদ্ধ করা উচিত। কারণ, এটি আত্মহত্যার একটি উপকরণ!
বিপাশা বসু
অন্ধবিশ্বাসে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন উনি। গাড়ির সামনে লেবু আর কাঁচা মরিচ একসঙ্গে বেঁধে রাখলে অশুভ শক্তি আসবে না, এমনটা বিশ্বাস করেন ‘জিসম’ খ্যাত এ অভিনেত্রী।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও নেটভিফোরইউ