সিনেমাটি ভারতের পতিতালয়ের কাহিনি নিয়ে। যার মুখ্য চরিত্র মহেশ ভাট কন্যা আলিয়া ভাট।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তির দিন এটি তুলেছিল সাড়ে ১০ কোটি রুপি। আর পরদিন আয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ। এসেছে ১৩ কোটি রুপি।
এদিকে ১৫০ কোটি রুপির এ ছবিটির স্যাটেলাইট ও ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি করেছে ১০০ কোটি রুপি।
যার অর্থ, আর মাত্র সাড়ে ২৬ কোটি ঘরে তুললেই ছবিটি লাভের মুখ দেখবে। বিশ্লেষকদের মতে, যা কাল-পরশুর মধ্যেই উঠতে পারে।
বক্স অফিস ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’ তুলনামূলক বেশ ভালো ব্যবসা করছে। বক্স অফিসে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, নেট প্রায় ১২.৫০ থেকে ১৩ কোটি রুপি।
চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শও ছবিটির জন্য সপ্তাহান্তে ৪০ কোটি আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তবে প্রথম দুদিনের আয়ে সবকিছু টপকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে সঞ্জয়লীলা বানশালির এ ছবিটি।
অন্যদিকে, শুক্রবার ছবি মুক্তি উপলক্ষে মুম্বাইয়ের গ্যালাক্সি সিনেমা হলে দর্শকদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী আলিয়া। আর যাওয়ার আগে শহরজুড়ে খোলা বাসে ঘুরেছেন এই তারকা।
করোনা শুরুর পর এতটা জাঁকালোভাবে আর কোনও ছবি মুক্তি পায়নি।
সিনেমাটি এর আগে বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও প্রদর্শিত হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের রিভিউ অনুযায়ী, ‘আলিয়ার অভিনয় মন জয় করার মতো। নিখুঁত শব্দচয়ন, উপভাষা, অভিব্যক্তি এবং তিনি রাগ, আনন্দ ও অসহায়ত্বের আবেগকে তুলে ধরেছেন। নায়িকার পর্দায় উপস্থিতি অবাক করার মতো।’
ভারতের অন্যতম বৃহৎ পতিতালয় কামাঠিপুরা। সেখানকার যৌনপল্লির সর্দার আলিয়া। যদিও মুম্বাই পুলিশের কাছে তার অন্য পরিচয় ছিল, তিনি এক নৃশংস গ্যাংস্টার। কেমন করে গুজরাটের এক গ্রামের মেয়ে হয়ে উঠলো কামাঠিপুরার ম্যাডামজি- এটা নিয়েই এগিয়েছে ছবিটি।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস