টানা ১১ অ্যালবাম শীর্ষে, টেইলর সুইফটের রেকর্ড

সংগীত দুনিয়ায় এই সময়ের সেনসেশন টেইলর সুইফট। একের পর এক রেকর্ডে নিজেকেই ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। কখনও তার গান-অ্যালবাম গড়ছে রেকর্ড, কখনও আবার তার কনসার্টের কারণে হচ্ছে ভূমিকম্প! এমনকি তার কনসার্টের ভিডিও দিয়ে বানানো সিনেমাও বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে।

এমন সাফল্যে ভরা সময়ে আরও একটি রেকর্ড গড়িয়ে এলো সুইফটের ঘরে। যুক্তরাজ্যের টপ চার্টের শীর্ষে উঠেছে তার নতুন অ্যালবাম ‘১৯৮৯ (টেইলরস ভার্সন)’। গত ২৭ অক্টোবর প্রকাশের পর এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি টপ-২০০ চার্টের এক নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে।

‘১৯৮৯ (টেইলরস ভার্সন)’ অ্যালবামের প্রচ্ছদচার্টস কোম্পানির তথ্য মতে, অ্যালবামটি মাত্র এক সপ্তাহে ১ লাখ ৮৪ হাজার চার্টস ইউনিট পার করেছে। যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে লুইস কাপাল্ডির ‘ব্রোকেন বাই ডিজায়ার টু বি হেভেনলি সেন্ট’ অ্যালবাম ৯৫ হাজার চার্টস ইউনিট অতিক্রম করে বছরের সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড গড়েছিল। সেটাকে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধানে হটিয়ে নিজের দাপট দেখালেন সুইফট।

এই নিয়ে টেইলর সুইফটের টানা ১১টি অ্যালবাম টপ চার্টের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। যা একবিংশ শতাব্দীতে যে কোনও নারী সংগীতশিল্পীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ। তবে সর্বকালের রেকর্ডটি রয়েছে ‘কুইন অব পপ’ খ্যাত ম্যাডোনার দখলে। তার ১২টি অ্যালবাম টপ চার্টের এক নম্বরে ছিল। অবশ্য তার সেই রেকর্ড ভেঙে দেওয়া টেইলর সুইফটের জন্য কেবল সময়ের ব্যাপার।

টেইলর সুইফটমজার ব্যাপার হলো, ‘১৯৮৯ (টেইলরস ভার্সন)’ একেবারে নতুন অ্যালবাম নয়, এটি তার ২০১৪ সালের অ্যালবাম ‘১৯৮৯’র নতুন ভার্সন মাত্র। টেইলর মনে করেন, এই অ্যালবাম তাকে পুনর্জন্ম দিয়েছিল। তাই তার কাছে এর গুরুত্ব বরাবরই বিশেষ। সেজন্য নতুন আয়োজনে অ্যালবামটি পুনরায় রেকর্ড করে প্রকাশ্যে আনলেন।

সূত্র: বিলবোর্ড