মঞ্চে এলো বটতলার নতুন নাটক ‘যোজনগন্ধা মায়া’

নাট্যদল বটতলার নতুন প্রযোজনা ‘যোজনগন্ধা মায়া’ মঞ্চে এসেছে। প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং হারানো সন্তানের জন্য এক মায়ের অন্তহীন অপেক্ষার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। 

বদরুজ্জামান আলমগীর রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন ইমরান খান মুন্না। বটতলার ২৫তম প্রযোজনা হিসেবে ‘যোজনগন্ধা মায়া’ ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে দু’দিনব্যাপী নাটকটি মঞ্চায়ন হচ্ছে। গতকাল প্রথম মঞ্চায়নে মিলেছে ইতিবাচক সাড়া। আজ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দ্বিতীয় মঞ্চায়ন হবে একই স্থানে।

নাটকটির গল্পের সময়কাল নির্দিষ্ট কোনো একটি পর্বে সীমাবদ্ধ নয়। এর ঘটনাপ্রবাহ মুক্তিযুদ্ধ, শূন্য দশক এবং প্রায় ১২০ বছর আগের অতীতের মধ্যে যাতায়াত করে।

নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের গল্প নয়; বরং আবহমানকালের মানুষের লড়াই ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।

‘যোজনগন্ধা মায়া’য় উঠে এসেছে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং প্রতিরোধের চিত্র। নাটকের কাল্পনিক গ্রাম লতিপুটি ও ‘কুমিরপীর’-কে ঘিরে এগিয়েছে কাহিনি, যেখানে কৃষক ও সাধারণ মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং বেঁচে থাকার সংগ্রাম প্রাধান্য পেয়েছে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামিনা লুৎফা, মোহাম্মদ আলী হায়দার, কাজী রোকসানা, গোলাম মাহবুব, মনিরা খাতুন, মুন ইসলাম, নিরঞ্জন দাস, আশরাফুল ইসলাম, শাহাদত হোসেনসহ অনেকে। সুর ও সংগীত পরিকল্পনায় রয়েছেন পলাশ নাথ ও চন্দ্রাবতী ইভা। পোশাক পরিকল্পনায় মহসিনা আক্তার এবং আলোক পরিকল্পনায় ধীমানচন্দ্র বর্মন। 

বটতলার নতুন এই প্রযোজনা দর্শকদের জন্য একদিকে যেমন ইতিহাসের নানা সময়কে একসূত্রে বেঁধেছে, অন্যদিকে তুলে ধরেছে মানুষের চিরন্তন লড়াই ও স্বপ্নের গল্প।