সিবিআই সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ল্যাবের রিপোর্ট দিল্লি পুলিশকে পাঠিয়েছে সিবিআই। ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি ‘বিশ্বাসযোগ্য ও আসল’।
চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে আফজাল গুরুর সমর্থনে আয়োজিত বিতর্কিত কর্মসূচিতে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ১২ ফেব্রুয়ারি কানহাইয়া কুমারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে পুলিশি রিমান্ডে রাখা হয়। পরে আদালত তাকে ২ মার্চ পর্যন্ত কারাগারে পাঠান। এর মধ্যে ২৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরদিন পুনরায় তাকে তিহার জেলে পাঠানো হয়।
২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উমর খালিদ ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য। পরে তাদের রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে কানহাইয়া, উমর এবং অনির্বাণের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন দিল্লি হাইকোর্ট।
পুলিশ আদালতে ৯ ফেব্রুয়ারির ওই অনুষ্ঠানের ৭টি ভিডিও সরবরাহ করে। এগুলো হায়দ্রাবাদভিত্তিক ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। মার্চে একটি তদন্তকারী দল জানায়, ওই ভিডিওগুলোর মধ্যে তিনটি সাজানো ছিল, যার মধ্যে রয়েছে একটি টিভি চ্যানেলের ক্লিপ।
পুলিশের দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, কানহাইয়া শুধু দেশবিরোধী স্লোগানই দেননি বরং ওই বিতর্কিত কর্মসূচির আয়োজকদেরও একজন ছিলেন।
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে কানহাইয়া কুমারকে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদের মুখে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লি সরকার একটি তদন্ত দল গঠন করে। ওই মামলাটি বর্তমানে দিল্লি পুলিশের জঙ্গিদমন শাখার স্পেশাল সেল তদন্ত করছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন:
“ধূমপানে হিন্দু পুরুষদের ‘বন্ধ্যাত্ব’ বাড়ছে”
আলীর শেষকৃত্যে বক্তব্য দেওয়া হলো না এরদোয়ানের
কাশ্মিরে ‘খিলাফত’ কায়েম করতে চায় আইএস!
/এসএ/