তবে বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালানোর পর স্থানীয় পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ওই শব্দ অন্য কিছুর শব্দ ছিল। বিমানবন্দরে কোনও গোলাগুলি হয়নি। শব্দ কিসের ছিল তা জানতে তদন্ত চলছে। জোরো (মুখোশ সম্বলিত এক ধরনের পোশাক) পোশাক পরা একজনকে আটক করার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর বিমানবন্দরে অতিরিক্ত পুলিশ ও দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আন্নে ডুডেক লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে জানান, তিনি এস্কেলেটরে ছিলেন। তখন একজন দৌড়াতে দেখতে পান। সেই লোকটি সবাইকে বলছিলেন গুলি করা হচ্ছে। আর তা শুনে সবাই ব্যাগ ফেলে দৌড়াতে শুরু করে। ডুডেক জানান, ওই সময় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনিও টার্মিনাল ছেড়ে পার্কিং এলাকায় গিয়ে নিজের গাড়িতে করে বিমানবন্দর ছেড়েছেন বলে জানান ডুডেক।
অবশ্য পরে যাত্রীদেরকে তাদের ফেলে যাওয়া লাগেজ সংগ্রহ করতে টার্মিনাল খুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ এফ কেনেডি বিমানবন্দরেও গুলি আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। ওইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিউইর্য়কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে গুলির শব্দ পাওয়ার গুঞ্জন ওঠে। এর প্রায় ৪৫ মিনিট পর টার্মিনাল ওয়ান থেকে একই ধরনের শব্দ পাওয়ার কথা বলা হয়।
সে সময় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগকে খবর দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ছয়টি টার্মিনালের দুইটি বন্ধ হয়ে যায়। অনেকগুলো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়।
পরে নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের এক টুইটে বলা হয়,‘বন্দর পুলিশ ও নিউ ইয়র্ক পুলিশ যৌথভাবে ১ নাম্বার ও ৮ নাম্বার টার্মিনালে তল্লাশি চালাচ্ছে। গুলিবিদ্ধ কাউকে পাওয়া যায়নি। মনে হচ্ছে গুলিই করা হয়নি।’ সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/