আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের হয়ে প্রার্থিতার দৌড়ে এগিয়ে থাকা হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে ইমেইল আদান-প্রদান করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে আদান-প্রদান করা ইমেইলগুলোতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়েরও উল্লেখ ছিল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা চাওয়ার পর হিলারির ইমেইল ইস্যু জোরালো হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারের নিয়ন্ত্রিত চ্যানেল ছাড়া ক্লাসিফায়েড তথ্য আদান-প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ধরনের অনিরাপদ চ্যানেলের মাধ্যমে অতি গোপনীয় ইমেইল ফাঁস হওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করে মার্কিন সরকার। আর সেকারণে হিলারির ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহার করে ইমেইল আদান-প্রদানের কারণে আইন ভঙ্গ হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু করে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। এ বছর জুলাই মাসে সেই তদন্তের আওতায় হিলারিকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়।
তদন্ত শেষে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমে জানান, হিলারি বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা করার কথা হচ্ছে না। তিনি বলেন, “অফিসের কাজে ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার করে ‘প্রচণ্ড দায়িত্বহীন’ কাজ করেছে হিলারি। কিন্তু ব্যক্তিগত ই-মেইলের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে গোপন তথ্য সরবরাহ করেননি তিনি।”
শুক্রবার (০২.০৯.২০১৬) হিলারিকে দেওয়া সেই দায়মুক্তির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫৮ পৃষ্ঠার এএফবিআই প্রতিবেদনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারির নেয়া একটি সাক্ষাৎকার থেকে শুরু করে নিউ ইয়র্কে থাকাকালে তার বাস ভবনের ব্যক্তিগত সার্ভারেরও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। রয়েছে আরও বেশকিছু চমদকৃত তথ্য।
আরেক ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনেক কিছুই মনে পড়ছিল না বলে জানিয়েছিলেন হিলারি।
/বিএ/
আপ /এসএ/