পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজি) মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘সে (মুরাদ) গুলশানের হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।’
তিনি আরও জানান, রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ওই জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানের সময় সে পিস্তল, গ্র্যানেড ও চাপাতি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালালে চার পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।
আহত পুলিশ সদস্যদের স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, নিহত ওই জঙ্গি জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-এর একাংশ নব্য জেএমবি-র সামরিক প্রশিক্ষক ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সে নিহত হয়।
নারায়ণগঞ্জে এক পুলিশি অভিযানে গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তামিম চৌধুরী নিহত হওয়ার ছয়দিন পর ওই অভিযানটি চালানো হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এডিশনাল কমিশনার দিদার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশ সম্প্রতি যে বাড়িতে অভিযান চালায় সেখানে মুরাদের নিয়মিত যাতায়াত করতো। এ পর্যন্ত মুরাদের তিনটি নাম পাওয়া গেছে- মুরাদ, ওমর ও জাহাঙ্গীর।’
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপকমিকশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছিলেন, ‘মুরাদ নব্য জেএমবির মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীর সেকেন্ড ইন কমান্ড।’ তিনি আরও জানান, “নব্য জেএমবিতে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় মুরাদকে ‘মেজর মুরাদ’ নামে ডাকা হতো।”
তবে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই থেকেও জানানো হয়েছে, ‘সেনাবাহিনীতে মুরাদ নামে কোনও মেজর নেই।’
সামরিক গোয়েন্দারা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রশিক্ষকদের জঙ্গিরা ‘মেজর’ বলে সম্বোধন করেন। এ কারণেই হয়তো সবাই তাকে সেনাবাহিনীর সদস্য বলে মনে করেছেন। অন্যদিকে, গোয়েন্দা পুলিশ সাংবাদিকদের কাছে উল্লেখ করেছিলো, মুরাদ সেনাবাহিনীরই সদস্য ছিল এবং সেখান থেকে সে অবসর গ্রহণ করে।
সূত্র: রয়টার্স।
/এসএ/