এর আগে এই ছবিটিকে ‘অশ্লীল’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুক থেকে মুছে দেয় বলে অভিযোগ করেন নরওয়ের এক লেখক। ঘটনাটি সংবাদমাধ্যম তুলে ধরলে বিশ্বব্যাপী এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়।
এ বিষয়ে নরওয়ের বহুল প্রচারিত এক সংবাদপত্রের সম্পাদক ফেসবুক নির্বাহী জুকার বার্গের কাছে একটি খোলা চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ছবিটি সরিয়ে ফেলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি আগের স্থানে সংরক্ষণে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে যে কোনও সময় ছবিটা আগের স্থানে ফের দেখা যাবে।’
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা আমাদের নীতিমালা উন্নয়নে সবসময়ই যত্মশীল ও মুক্তমত এবং আমাদের কমিউনিটির নিরাপত্তার দিকে সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখি।’
ফেসবুকের এ বিবৃতির পর নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ যিনি এই ছবি তার ফেসবুক ওয়ালেও পোস্ট করেছিলেন, তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘ওয়ার্ল্ড টু নাইট প্রোগ্রামে’ সন্তোষ প্রকাশ করে এরনা সোলবার্গ বলেন, ‘ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ইউটার্নকে স্বাগতম।’
নরওয়ের সেই লেখক টম ইগল্যান্ড এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমি এখন খুশি।’ তার ফেসবুকে ওয়ালে ১৯৭২ সালে ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের সময় নাপাম বোমা হামলার কারণে পলায়নরত এক বিবস্ত্র কন্যাশিশুর ছবি পোস্ট করেছিলেন। তার সেই অ্যাকাউন্টটি স্থগিত রাখে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
টম ইগল্যান্ড বলেন, ‘এর মানে এই নয় যে, কোনও জটিল ইস্যুর ক্ষেত্রে ফেসবুকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে ফেসবুক ও নরওয়ের সংবাদমাধ্যম জড়িত ছিল। যাক, আজ রাতে তারপরও আমি খুশি!’
/এবি/
আরও পড়ুন
এই ঐতিহাসিক ছবিটি ‘অশ্লীল’!