সোমবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্যাট্রিসিয়া শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়নে আমরা একগুচ্ছ নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করতে যাচ্ছি এবং সেই কর্মসূচিতে আপনার সমর্থন প্রত্যাশা করছি।’ বৈঠক শেষের সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের জানান, নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভূমিকা রেখেছেন, তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব।
বিএসএস-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চরনমপন্থা নিরসন ও মানবাধিকারের সুরক্ষা; কমনওয়েলথ-এর এই দুই নতুন অগ্রাধিকার নিয়েও কথা বলেছেন হাসিনা-প্র্যাট্রিসিয়া। প্র্যাট্রিসিয়ার মতে কমনওয়েলথ-এর এবারের অগ্রাধিকারে দুইটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এই অগ্রাধিকারের একদিকে রয়েছে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং চরমপন্থা নিরসনের প্রশ্ন আর অন্যদিকে রয়েছে মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি। প্র্যাট্রিসিয়া এইসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শেখ হাসিনার সমর্থন চান। পাশাপাশি তিনি জানান, কমনওয়েলথ এমন কিছু নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করতে যাচ্ছে যেখানে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ মহাসচিব প্র্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান। জবাবে বাংলাদেশে সংক্ষিপ্ত সফরের আশা প্রকাশ করেন প্র্যাট্রিসিয়া।
এদিকে কমনওয়েলথ-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই নেতার বৈঠকে চরমপন্থা নির্মূল, নারীর ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু ছাড়াও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক প্রসার নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে বাণিজ্য, সুশাসন, আইনের শাসন এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে সর্বোত্তম অনুশীলনের একগুচ্ছ পদ্ধতি প্রবর্তনে তারা একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
/বিএ/