গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিরা হলো- আনোয়ার হোসেন ফারুক ওরফে এনাম ওরফে কালো ভাই, মাওলনা ইউসুফ ওরফে বক্কর ওরফে আবু খেতাব, জাহিদুল শেখ ওরফে জাফর ওরফে জবিরুল, মো. রফিকুল ওরফে মো. রুবেল ওরফে পিচ্চি, শহিদুল ইসলাম ওরফে সুরয়ে ওরফে শামীম এবং আবুল কালাম ওরফে করিম। এদের মধ্যে রুবেল, জাহিদুল আর ইনাম বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে এসটিএফ। ২০১৪ সালের পর থেকে এসব জঙ্গিরা পলাতক ছিলো।
এসটিএফ’র এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ‘জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে গোয়েন্দারা প্রথমে জাহিদুল শেখ ওরফে জাফর ওরফে জবিরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেফতার করে। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার জাল ভারতীয় রূপী উদ্ধার করা হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই জঙ্গির দেওয়া তথ্য মতো অভিযান চালিয়ে বাকিদের গ্রেফতার করা হয়। সোমবার গ্রেফতার ওই ৬ জঙ্গিকে কলকাতার বাকশাল আদালতে তোলার কথা রয়েছে।’
ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের সঙ্গে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা, বিশেষ করে গুলশান ও শোলাকিয়া হামলায়, জোগসাজস আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া খাগড়াগড় বিস্ফোরণের কুশীলবদের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
জানা যায়, আজ কলকাতার এনআইএ আদালতে খাগড়াগড় মামলার শুনানির দিন ধার্য আছে। এই নিয়ে এ মামলার তৃতীয় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত ২০ আগস্ট এ মামলার শুনানি শুরু হয়। ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএ) এ মামলার তদন্ত করছে। যদিও জেএমবি’র এ জঙ্গিদের গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।
/এসএনএইচ/