বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়, আলেপ্পোর এম টু এবং এম টেন হাসপাতালে গভীর রাতে হামলাগুলো চালানো হয়েছে। এম টু হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ জেইন খান্দাকা জানান, দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে তার হাসপাতালে হামলা হয়েছে। হাসপাতাল ও আশেপাশের এলাকায় পাঁচটি মর্টার শেল হামলা হয়েছে। এ হামলায় নিহত ২০ জনের মধ্যে রোগী, হাসপাতাল কর্মী এবং কয়েকজন বেসামরিক রয়েছেন। যুদ্ধবিমানের টহলের কারণে প্রায় ৯০ জন হাসপাতালের বেসমেন্টে আটকা পড়ে আছেন।
খান্দাকা মিডল ইস্ট আইকে বলেন, আরও জানান, আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কয়েকদিন ধরে হাসপাতালের সংস্কার কাজ চলছিল। নতুন হামলার কারণে হাসপাতালটি আবারও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে রোগীদের পায়ে হাটিয়েঁই অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়েছে।
মিডল ইস্ট আই জানায়, এম টেন হাসপাতালে ভোর ৪টার দিকে হামলা হয়েছে। হামলার কারণে হাসপাতালের প্রধান জেনারেটর, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি নষ্ট হয়ে গেছে। তবে প্রাণহানি কেমন হয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ দুটি হাসপাতালই সিরিয়ান আমেরিকান মেডিক্যাল সোসাইটি (এসএএমএস) এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে।
এদিকে বিদ্রোহীদের দখলে থাকা আলেপ্পোর দখল নিতে বড় পরিসরে বিমান হামলার পর, স্থল অভিযান জোরদার করেছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত বাহিনী।
মঙ্গলবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন অভিযান শুরুর পর সরকারি বাহিনী আলেপ্পোর নিকটবর্তী ফারাফরা জেলা দখল করেছে। খবরে আরও জানানো হয়, আলেপ্পোর উত্তরাঞ্চলে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে।
/এফইউ/