ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রত্যাশিত জয় পেলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ব্যবধান কমাতে সক্ষম হলেও ডেমোক্র্যাট শিবিরের অস্বস্তি দূর হচ্ছে না। কেননা এটা ডেমোক্র্যাটদেরই দুর্গ।
ক্যালিফোর্নিয়া জয়ের মধ্য দিয়ে এখন হিলারির ইলেক্টরাল ভোটের সংখ্যা ১৯৭টি। বিপরীতে ট্রাম্পের হাতে রয়েছে ২১৬টি ইলেক্টরাল ভোট।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ইলেক্টোরাল কলেজ আনুষ্ঠানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে ভূমিকা পালন করে। কোন প্রার্থী কত বেশি ভোট পেলেন তার চেয়ে জরুরি হলো কে কতটা ইলেক্টোরাল ভোট পেলেন তা। ৫৩৮ জন ইলেক্টরের সমন্বয়ে ইলেক্টোরাল কলেজ গঠিত। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে প্রার্থীকে এর মধ্যে অন্তত ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে হয়। এক এক স্টেটে ইলেক্টরের সংখ্যা এক এক রকম। নির্বাচনের দিন মার্কিনিরা যখন ভোট দেন তখন তারা মূলত প্রার্থীদের ইলেক্টরদেরকে বাছাই করেন। দুটি ছাড়া বাকি ৪৮টি অঙ্গরাজ্যে ‘উইনার-টেক-অল’ সিস্টেম চালু রয়েছে। এর আওতায় জয়ী প্রার্থীকে ওই অঙ্গরাজ্যের সব ইলেক্টর দিয়ে দেওয়া হয়। তবে নেবরাস্কা ও মেইন অঙ্গরাজ্য দুটি এক্ষেত্রে আলাদা। এ দুটি অঙ্গরাজ্যের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পাওয়া ভোটের সংখ্যানুপাতে ইলেক্টোরাল ভোট ভাগ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে এবং পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে সকাল ৭টা থেকে শুরু হয় ঐতিহাসিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও ওভারসিজ ভোটারদের আগাম ভোট এবং ১শ ভোটারের কম জনসংখ্যার ৩টি কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সব অঙ্গরাজ্যে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ১০০ আসনবিশিষ্ট সিনেট ও ৪৩৫ আসনবিশিষ্ট হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভেরও ভোটগ্রহণ হয়েছে। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভে রিপাবলিকানরা আবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
/বিএ/
আপ - /এসএ/