ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ফ্লোরিডার মার-অ্যা-লাগো রিসোর্টে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানাবেন ট্রাম্প। ওই রিসোর্টে উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গে দুই নেতার আলোচনা করার কথা রয়েছে। একইসঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগর ও বাণিজ্য নিয়ে চীনের লক্ষ্য নিয়েও আলোচনা করা হবে।
ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শি ও চীনের প্রতি তার ‘গভীর শ্রদ্ধাবোধ’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের জন্যই ভালো এবং চমকপ্রদ কিছু যদি ঘটে তবে আমরা মোটেও আশ্চর্য হব না এবং আমি তেমনটা হওয়ারই আশা করছি।’
উত্তর কোরিয়ার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার ওপর চীনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। হয় চীন উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আমাদের সহযোগিতা করবে কিংবা করবে না। যদি তারা তা করে তবে সেটি চীনের জন্য ভালো হবে। আর যদি চীন তা না করে তবে কারও জন্যই সেটি ভালো হবে না। চীন যদি উত্তর কোরিয়াকে সামলাতে না পারে তবে আমরা একাই সামলাব।’
কিসের মাধ্যমে চীনকে সহযোগিতার ব্যাপারে আগ্রহী করা যাবে তা নিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি বাণিজ্যের বিষয়টি উৎসাহদায়ক হবে। এটি পুরোপুরি বাণিজ্যসংক্রান্ত।’
তবে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে সে ব্যাপারে ইঙ্গিত দেননি ট্রাম্প।
ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ব্রেক্সিট প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্ত দুই পক্ষের জন্যই ভালো হতে পারে।
/এফইউ/