নেপালে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলন শুরু

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হয়েছে চতুর্থ বিসমটেক সম্মেলন। ৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর নেতাদের অংশগ্রহণে সম্মেলন শুরু হয়। নেপালের জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন শুরু হয়।

BIMSTECএবারের সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুত চান ওচা, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উন মিন্ট, ভুটানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা গিয়ালপো ওয়াংচুক, শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছেন নেপালের প্রেসিডেন্ট।

সম্মেলনস্থলে বিদেশি নেতাদের স্বাগত জানান নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনের চেয়ারপারসন কে পি শর্মা অলি। সম্মেলন শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে।

এর আগে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) কাঠমান্ডু পৌঁছান শেখ হাসিনা। এদিন কাঠমান্ডুতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিন নেপালি প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে হিমালয়ান টাইমস জানায়, বৈঠকে নেপাল-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক) সাতটি দেশের আঞ্চলিক জোট। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে একটি সেতুবন্ধ তৈরি করা। এই উপ-আঞ্চলিক সংস্থাটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্যদিয়ে গঠিত হয়। এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ৫টি দক্ষিণ এশিয়ার। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা। অন্য দুটি দেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট, হিমালয়ান টাইমস, বাসস।