পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিসার আলী খানের নির্দেশে ক্রুরা তাদের বিমান থেকে নামতে দিচ্ছে না।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে। কিন্তু ইইউভুক্ত একটি দেশ পাকিস্তানের আইন ভঙ্গ করছে। যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
বিমানে আসা অভিবাসীদের ‘অবৈধভাবে অবতরণকারী’ উল্লেখ করে পাকিস্তান বলছে, এদের কারোই বৈধ কাগজপত্র না থাকায় যে দেশ থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো হবে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান ইসলামাবাদে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, বিমানে ৫০ জনকে আসার ব্যবস্থা করেছে ইউরোপে আবাসনের দায়িত্বে থাকা ফ্রন্টেক্স নামের একটি সংস্থা। এই ৫০ জনকে গ্রিস, বুলগেরিয়া ও অস্ট্রিয়ায় অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাস ভ্রমণের পাসপোর্ট দিয়েছে।
এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, এই ৫০ জনের মধ্যে ৩০ জনকে গ্রিস থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ইইউ অফিস বলছে, পাকিস্তান দাবি করেছে অভিবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিতে হবে। এটা ইইউ’র পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়। চুক্তির মধ্যে এ বিষয়টি ছিল না। পাকিস্তানকে আগেই প্রত্যর্পণকারীদের তালিকা দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা তালিকা ধরে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সংগ্রহ করতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছর অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়া ২১ হাজার পাকিস্তানিকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রায় ৫০ হাজার পাকিস্তানি প্রতি বছর বৈধভাবে কাজ করতে ইউরোপ যায়।
/এএ/এমপি/