ভ্যাকসিন সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা বায়োএনটেক প্রতিষ্ঠাতার

নিজেদের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদনে গতি আনতে সহযোগি প্রতিষ্ঠান ফাইজারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে জার্মান ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক। এর প্রতিষ্ঠাতা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, অন্যান্য টিকাগুলো চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের ভ্যাকসিন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের টিকা চালুর প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছে জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক। তবে এর টিকা ইউরোপীয় ইউনিয়নে পৌঁছাচ্ছে ধীর গতিতে। অনুমোদনে বিলম্ব আর ব্রাসেলস থেকে কম আদেশ পাওয়াই এই ধীর গতির কারণ। বিলম্বের কারণে জার্মানিতে গত ২৭ ডিসেম্বর টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও বেশ কিছু এলাকায় টিকাদান কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

বায়োএনটেক-এর প্রধান নির্বাহী আগার শাহিন জার্মান সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন দার স্পাইজেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভালো কিছু বোঝা যাচ্ছে না- একটা শূন্যতা দেখা যাচ্ছে কারণ অন্য অনুমোদিত টিকা দেখা যাচ্ছে না সে কারণে আমাদের নিজস্ব টিকা দিয়ে সেই অভাব পূরণ করতে হচ্ছে।’

আশা করা হচ্ছে আগামী ৬ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নে অনুমোদন পেতে পারে মডার্নার ভ্যাকসিন। জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনস স্পান অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভাইরাস দ্রুত অনুমোদন দিতে ইইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আহ্বান জানিয়েছে।

আগার শাহিন বলেছেন, যুক্তরাজ্যে প্রথম শনাক্ত হওয়া নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর হতে সক্ষম হবে বায়োএনটেক/ফাইজারের ভ্যাকসিন। তিনি বলেন, ‘এই বৈশিষ্ট্যের ভাইরাসটিকে আমাদের টিকা অকার্যকর করতে পারবে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে আর শিগগিরই আমরা আরও বেশি কিছু জানতে পারবো।’