রবিবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত আরব লীগের জরুরী বৈঠক থেকে এ সর্তক বার্তা দেওয়া হয়।
গত ২ জানুয়ারি সৌদি আরব কর্তৃক ইরানের শিয়া ধর্মীয় নেতা নিমর আল-নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর থেকে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা তীব্রতর হয়। এ ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের শিয়াদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
আল-নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জবাবে ইরানের বিক্ষোভকারীরা তেহরানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে হামলা চালায়। এ ঘটনায় ইরানের মাশহাদে অবস্থিত সৌদির কনস্যুলেট অফিস রিয়াদকে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে প্ররোচিত করে। এরপর তেহরানও রিয়াদের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় এবং দেশটির হজ যাত্রীদের মক্কা ভ্রমণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
সৌদি আরবের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অন্যান্য আরব দেশগুলোও ইরান থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহার করেন।
কায়রোতে আরব লীগের জরুরী বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান বলেন, ‘ইরানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি ধরনের প্রতিবেশী হতে চায়। তারা একজন ভালো না বিশৃঙ্খল প্রতিবেশী হতে চায় এবং সে অনুযায়ী আমরা দেশটির সঙ্গে আচরণ করব।’
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা তাদের প্রথম পদক্ষেপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার দেশ ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আরও কঠোর পদক্ষেপের বিষয় নিয়ে তাদের আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক জোটের সঙ্গে আলোচনা করবে।’ তবে, তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনও বিবরণ দেননি। সূত্র: রয়র্টাস
/আরএ/