মার্ক টোনার বলেন, ‘আমরা বলতে পারি, কিউবার সরকারের সহযোগিতায় আমরা প্রশিক্ষণ ক্ষেপণাস্ত্রটি ফেরত পেয়েছি। প্রাদেশিক আইনের আওতায় নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ও লেনদেন নিয়ে মন্তব্য করার ওপর বিধি নিষেধ আছে। আর সেকারণে আমরা আর বেশি তথ্য আপনাদের জানাতে পারছি না।’
২০১৪ সালের জুনে কোনও ধরনের বিস্ফোরকবিহীন ক্ষেপণাস্ত্রটি ন্যাটোর মহড়ার জন্য স্পেনে পাঠানো হয়েছিল। এরপর তা জার্মানি হয়ে ফ্রান্সের প্যারিসে পাঠানো হয়। আর প্যারিস থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পাঠানোর কথা থাকলেও ভুল করে তা এয়ার ফ্রান্স ফ্লাইটে করে হাভানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনাটি মার্কিনিদের জন্য চরম লজ্জার ও উদ্বেগের হয়ে ওঠে। ক্ষেপণাস্ত্রটিতে যে ধরনের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে সে তথ্য কিউবা সরকার অন্য শত্রু দেশ উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া কিংবা চীনের সঙ্গে বিনিময় করতে পারে বলে আশঙ্কা করছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে গত বছরের জুলাইতে ৫০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র আর কিউবার মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। আর তারই অংশ হিসেবে কিউবা সরকার ক্ষেপণাস্ত্রটি ফেরত দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন টোনার।
দ্য এজিএম ১১৪ হেলফায়ার মূলত একটি লেজার চালিত ক্ষেপণাস্ত্র। চালকবিহীন ড্রোন কিংবা হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া যায়। সূত্র: বিবিসি, সিএনএন
/এফইউ/