কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে তুরস্ক ও দ.কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়া সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে মুখিয়ে আছে তুরস্ক। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়া তুর্কিয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। এ কারণে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উষ্ণ হবে।  

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পার্ক জিনের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিদান বলেন, ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই আমরা।’

এর আগে দুই মন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। তারপর একটি রোডম্যাপ চুক্তিতে সই করেন দুই নেতা।

ফিদান বলেন, ‘যে রোডম্যাপে সই করেছি তা আমাদের দুই দেশের ইচ্ছার প্রতিফলন। প্রায় দেড় বছর ধরে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা রোডম্যাপটি আমাদের সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দেবে।’

তুরস্ক এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ২০১২ সালে কৌশলগত অংশীদারিত্বের স্তরে উন্নীত হয়।

সিউলকে এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে আঙ্কারা। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তুরস্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার।’

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ গত বছর ১০ বিলিয়ন ডলারে বেড়েছে। ফিদান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি সুষম বাণিজ্য সম্পর্কের ভিত্তিতে তা ১৫ বিলিয়নে পৌঁছানো।’

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড