চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এলসায়েদ ফেসবুকে ট্রাম্পের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, এই ধনকুবেরকে হত্যা করে আজীবন কারাদণ্ড ভোগ করতেও তিনি রাজি রয়েছেন। আর পুরো বিশ্ব এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তাকে জেরা করেন।
সোমবার বুশরা দাবি করেন, তার মক্কেলের আটকাদেশ অবৈধ। তিনি সংবাদমাধ্যম এপিকে বলেন, “আমি মনে করি, প্রধানত তিনি মুসলিম এবং মধ্যপ্রাচ্যের অধিবাসী বলেই তাকে আটকে রাখা হয়েছে। এই অল্পবয়স্ক ছেলেটিকে আমেরিকা বিদ্বেষের ‘পোস্টার বয়’ বানানো হচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইমাদেলদিনকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল করার পর বর্তমানে তাকে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে।
এলসায়েদ এর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি কখনও কাউকে আঘাত দিতে চাননি আর ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্যে বিক্ষুব্ধ হয়েই তিনি ফেসবুকে ওই কথা লিখেছিলেন।
রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনে জয়ী হলে তীব্র অভিবাসনবিরোধী নীতি গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে দেয়াল নির্মাণ করা এবং সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের আগমণ বন্ধ রাখার কথাও ট্রাম্প উল্লেখ করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি।
/এসএ/এফইউ/