পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারীদের কাউকে কাউকে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য আইএস সদস্যদের বিয়ে করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই আদেশ প্রত্যাখ্যান করায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ওই নারীরা। আবার ইরাকের মসুল শহরের কোনও কোনও নারী যৌনদাসী হতে রাজি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যসহ তাদের হত্যা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতেও ভালো নেই আদিবাসীরা
কুর্দিশ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মুখপাত্র মামুজিনি বলেন, ‘আইএস মসুল শহরের দখল নেওয়ার পর থেকে নারীদের বাছাই করে সংগঠনের যোদ্ধাদের বিয়ে করার জন্য তাদের বাধ্য করা হয়। ওই বিয়েকে সাময়িক সময়ের বিয়ে বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। যেসব নারী ওই বিয়েতে রাজি না হন তাদেরই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়। কেবল এ কারণে এ পর্যন্ত অন্তত আড়াইশো নারীকে হত্যা করেছে আইএস।’
প্যাট্রিওটিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তান পার্টির সদস্য ঘায়াস সুরচি অভিযোগ করেন, ‘আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম লঙ্ঘন চলছে। সেইসব এলাকায় নারীদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তারা নিজেদের পছন্দমতো স্বামী বেছে নিতে পারছেন না।’
আরও পড়ুন: সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন: যেন এক ‘অসফল বিয়ে’র ফলাফল
গত আগস্টে মসুলে আইএস সদস্যদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে রাজি না হওয়ায় ১৯ জন নারীকে হত্যা করা হয়। এর পর এমন আরও বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, পিটিআই
/এফইউ/বিএ/