সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী প্রিন্সের সম্মানে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রদর্শিত হচ্ছে ১৯৮৪ সালে নির্মিত ছবি পার্পল রেইন। পার্পল রেইন ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা ও অনবদ্য অভিনয় করেই পার্পল রঙের সঙ্গে জুড়ে যায় প্রিন্সের নাম। এই ছবির সঙ্গীত আয়োজনের জন্য তিনি অস্কার পুরষ্কার পান।
আরও পড়ুনঃ ‘আত্মহত্যা করেননি প্রিন্স’
ভ্যরাইটি রিপোর্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬টি রাজ্যে একযোগে চলবে পার্পল রেইন ছবিটি।প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহের কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ছবিটি প্রদর্শনের সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
চলচ্চিত্র সমালোচক রজার এবার্ট বলেন, “পিঙ্ক ফ্লয়েডের ‘দ্য ওয়াল’ এর পর প্রিন্সের ‘পার্পল রেইন’ই প্রথম ছবি যেখানে রক মিউজিককে নাটকীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার নিজের স্টুডিওর এলিভেটরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সঙ্গীত শিল্পী প্রিন্সকে।মাত্র ৫৭ বছর বয়সে এই প্রতিভাধর শিল্পীর মৃত্যুর কারণ জানতে তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।ময়নাতদন্তে আত্মহত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসতে আরও কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ প্রিন্সের শোকে পার্পল রঙে রঙিন যুক্তরাষ্ট্র
প্রিন্সের জন্ম ১৯৫৪ সালে। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি গান লিখতে শুরু করেন। সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করতে শুরু করেন ১৯৮০র দশক থেকে। প্রিন্স ছিলেন একাধারে বাদক, গায়ক, কবি ও সুরস্রষ্টা। সঙ্গীত অঙ্গনে ব্যাকরণ ও প্রযুক্তির উন্নতিতেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সূত্রঃ স্লেট
/ইউআর/