২০১৪ সালে আইএসকে ‘সর্বোচ্চ তহবিল সমৃদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যা দেয় ইউএস ট্রেজারি। আর সেই থেকেই সংগঠনটির তহবিল ধ্বংসকে প্রাধান্য দিয়ে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন জোট। মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে পিটার বলেন, আইএসের অর্থ সংগ্রহের স্থানগুলো লক্ষ্য করে ২০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আইএস কোন বাড়ির কোন কক্ষে টাকা সংগ্রহ করছে তা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন বাহিনী জানতে পারে। পরে সে কক্ষ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন: বোমা ও গোলাবারুদে এক বছরেই ৩৩,০০০ বেসামরিক মানুষ নিহত
পিটার বলেন, বিমান হামলায় ঠিক কী পরিমাণ অর্থ নষ্ট করা হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান না জানা গেলেও এর পরিমাণ ৫শ মিলিয়ন ডলার থেকে ৮শ মিলিয়ন ডলারের মাঝামাঝি হবে।
বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে আইএস আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সদস্যরা সংগঠন ছাড়ছেন উল্লেখ করে পিটার বলেন, ‘আমরা তাদের নীতিতে ভাঙন দেখতে পাচ্ছি। তারা টাকা পরিশোধ করতে অক্ষম, যুদ্ধব্যয় যোগাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সদস্যরা সংগঠন ছাড়ার চেষ্টা করছেন।’ আরও পড়ুন: নারীর প্রতি বৈষম্য প্রতিরোধে নারী সাধুর অভিনব প্রতিবাদ
জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে পিটার বলেন, আইএস সে সময় নিজস্ব যোদ্ধাদের বেতন অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছিল। আইএস জানিয়েছিল তারা ব্যতিক্রমী এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় ইরাক ও সিরিয়ায় প্রতিমাসে আইএসের হয়ে লড়াইয়ে যোগ দেওয়া যোদ্ধাদের সংখ্যা কমে ২শতে দাঁড়িয়েছে যা এক বছর আগে মাসে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার ছিল। সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/বিএ/