সম্পদের বিস্তারিত তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২৮ জুলাই নওয়াজকে অযোগ্য ঘোষণা করে পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্ট। প্রদর্শিত আয়ের উৎসের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ ৯১ গুণ বেশি হওয়ার কারণে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইশাক দারকেও অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্টের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত এই ঋণ নিয়েছে নওয়াজ সরকার। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই অর্থাৎ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার ব্যবহার করা হয়েছে আগের ঋণ পরিশোধের কাজে। দেশটির মোট বিদেশি ঋণ ও দেনার খাতায় নওয়াজ সরকার যুক্ত করেছে নিট ১ হাজার ৮শ কোটি ডলার। এর আগে পাকিস্তানের কোনও সরকার এতো বেশি পরিমাণ ঋণ নেয়নি।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন আরও জানায়, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৩০ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে নওয়াজ সরকার ১ হাজার ১০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে। আর পরিশোধ হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার।
এছাড়া নওয়াজ সরকারের এক বছরে নেওয়া সর্বোচ্চ ঋণের পরিমাণও ১ হাজার ১০ কোটি ডলার। যা পাকিস্তানের জন্য রেকর্ড পরিমাণ। পাকিস্তানের ৭০ বছরের ইতিহাসে কোনও সরকারের এক বছরে এত বেশি ঋণ নেয়নি। সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
/এফইউ/এএ/