করোনার বিস্তার রোধে অভিবাসী কর্মীদের সাময়িকভাবে হোটেলে রাখার উদ্যোগ নিয়েছে মালয়েশিয়া। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রায় খালি পড়ে থাকা হোটেলগুলোতে তাদের রাখা হবে। শনিবার মালয়েশিয়ার পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।
পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের এই উদ্যোগ সংক্রমণ কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে এটি মহামারির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল অপারেটরদেরও পরোক্ষভাবে সহায়তা করবে। ফলে এই মুহূর্তে এটিই সেরা বিকল্প।
মানবসম্পদ এবং পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে সরকারের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।
এর আগে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ১২ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। দেশটির রাজা সুলতান আব্দুল্লাহ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির এ ঘোষণা দেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় এই জরুরি অবস্থা আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
কোভিড-১৯ এর সংক্রমণজনিত পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই দেশজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং রাজধানী কুয়ালালামপুর ও ৫টি রাজ্যে ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন। ১২ জানুয়ারি টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে মুহিদ্দিন আগামী কিছুদিনের জন্য পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার জানান। এর মধ্যেই শনিবার করোনার বিস্তার রোধে অভিবাসী কর্মীদের হোটেলে রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানালো দেশটির কর্তৃপক্ষ।