এক নজরে তালেবানের বিদ্যুৎগতির উত্থান

তালেবান যোদ্ধারা রবিবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ঘিরে ফেলেছে। এর আগে তারা দেশটির অধিকাংশ ভূখণ্ডের দখল নেয়। তালেবানের এবারের উত্থান বিদ্যুৎগতির বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালেবানের এবারের উত্থানের কালপঞ্জি

এপ্রিল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেন মে মাস থেকে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে এবং শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দীর্ঘ যুদ্ধ অবসানের পথ সুগম হয়।

মে: দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ প্রদেশে আফগানবাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালায় তালেবান। একই সঙ্গে অন্যান্য প্রদেশেও তারা হামলা শুরু করে।

জুন: জাতিসংঘে নিযুক্ত আফগান রাষ্ট্রদূত জানান, তালেবান ৩৭০টির মধ্যে ৫০টির বেশি জেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। চিরাচরিত শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণাঞ্চল ছাড়াও উত্তরাঞ্চলে ধারাবাহিক হামলা শুরু করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

২১ জুলাই: এক সিনিয়র মার্কিন জেনারেল জানান, তালেবান আফগানিস্তানের অর্ধেকের বেশি জেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

৬ আগস্ট: তালেবান যোদ্ধারা দক্ষিণাঞ্চলীয় জারাঞ্জ দখল করে। এটি এক বছরের মধ্যে তালেবানের দখল করা প্রথম প্রাদেশিক রাজধানী।

১৩ আগস্ট: একদিনে চারটি প্রাদেশিক রাজধানী তালেবানের দখলে যায়। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহার।

১৪ আগস্ট: উত্তরাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর মাজার-ই-শরিফের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান।

১৫ আগস্ট: কোনও লড়াই ছাড়াই পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর জালালাবাদ দখল করে তালেবানরা। রাজধানী কাবুল ঘিরে রাখে। সূত্রের বরাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা জানায়, প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি পদত্যাগ করতে পারেন যে কোনও মুহূর্তে। তার পদত্যাগের তালেবান প্রধান মোল্লা আবদুল গনি বারাদার আফগানিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন।