চিপ তৈরির সরঞ্জাম রফতানিতে বিধি-নিষেধ জারির পরিকল্পনা করছে জাপান। শুক্রবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় দেশটির সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডসের পর এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে টোকিও। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে টোকিও। পরিকল্পনা অনুসারে, ২৩ ধরনের সেমিকন্ডাক্টার তৈরির সরঞ্জাম রফতানিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করবে দেশটি। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে সামরিক হার্ডওয়্যার পর্যন্ত প্রায় সব ধরনের ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম তৈরিতে প্রয়োজন হয় সেমিকন্ডাক্টার।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বিরোধের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় এই সেমিকন্ডাক্টার বা চিপ সংকটকে। চিপ রফতানিতে আধিপত্য বজায় রাখার কারণে সচরাচরই ওয়াশিংটনকে ‘টেক হেজেমনি’ হিসেবে আখ্যা দেয় বেইজিং।
তবে শুক্রবারের বিবৃতিতে জাপানের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মার্কিন-চীন চিপ সংকট নিয়ে কোনও কথা বলেনি। বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একটি প্রযুক্তিগত জাতি হিসেবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি।
টোকিওর বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা বলেন, ‘সামরিক সরঞ্জামের বদলে অন্য সব প্রযুক্তিতে এই চিপ ব্যবহার করা হবে। ফলে এর প্রভাব খুব একটা টের পাবে না টেক জায়ান্টগুলো।’
গত বছর অক্টোবরে ওয়াশিংটন ঘোষণা দেয়, মার্কিন সরঞ্জাম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত চিপগুলো চীনে রফতানি করতে যে কোনও কোম্পানিকে লাইসেন্স নিতে হবে। চলতি বছর মার্চে নেদারল্যান্ডসও চিপ সরঞ্জাম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। সূত্র: বিবিসি