৯ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেফতারের পর ‘অবৈধভাবে গ্রেফতার’ হওয়া দলীয় কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। রবিবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় পিটিআই।
পিটিআই যখন কর্মীদের মুক্তির আহ্বান জানাচ্ছে তখন পাকিস্তানজুড়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে অসংখ্য নেতাকর্মীকে। সবশেষ পিটিআই নেতা এবং সাবেক মন্ত্রী মিয়ান মেহমুদুর রশিদকে লাহোর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
রাশেদের সমন্বয়কারী হাফিজ জিশান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডন ডটকমকে বলেন, ‘রাশেদকে পুলিশ ডিএইচএ থেকে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নেওয়া নিয়ে গেছে।
এদিকে ইমরানের গ্রেফতারের পর সহিংসতার দায়ে ইসলামাবাদে ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইসলামাবাদ পুলিশের এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, বিক্ষোভে ২৫০ মিলিয়ন রুপি মূল্যের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, বিক্ষোভের সময় বিশেষ বাহিনীর ১১ সদস্যসহ ৭১ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় ২৪টি মামলা করা হয়েছে।
এদিকে দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ।
এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খানের গ্রেফতার পর রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কাছে তাদের টেলিফোন কল, অডিও এবং ভিডিওর রেকর্ডিং রয়েছে ... তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। কারা কোন এলাকায় অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী আমরা প্রমাণসহ সব উপস্থাপন করবো’।
সূত্র: দ্য ডন