ভূমিকম্পের পর জাপানে নিত্যপণ্য মজুতের হিড়িক

জাপানে ভূমিকম্পের পর ইশিকাওয়া অঞ্চলে নিত্যপণ্য মজুতের হিড়িক পড়েছে। সেখানকার একটি দোকানের কর্মী তাকাশি ওয়াকাবায়াশি বলেছেন, তাক থেকে দ্রুত পণ্য শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো অনেক বেশি মানুষ বোতলজাত পানীয়, চাল ও পাউরুটি কিনতে জড়ো হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

ওই কর্মী বলেছেন, স্বাভাবিকের তুলনায় তিনগুণ বেশি ক্রেতা রয়েছেন দোকানে।

২০১১ সালে বিপর্যয়কর ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সোমবার আবারও জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ১৩ বছর আগের ভূমিকম্প ও সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। 

নতো অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প

নতো উপদ্বীপে ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ দশমিক ৬ রেকর্ড করা হয়েছে। ১৮৮৫ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর ইশিকাওয়া অঞ্চলের নতো উপদ্বীপে এটিই  সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেছেন, ২০১১ সালের ১১ মার্চের পর সোমবার প্রথমবারের মতো বড় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

২০১৮ সালের পর জাপানে এটিই প্রথম ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প।

‘পরবর্তী ৯০ মিনিট বিপজ্জনক সময়’

টোকিও থেকে সাংবাদিক ক্রিস গিলবার্ট বলেছেন, উত্তরপশ্চিম উপকূলে সুনামির ঢেউ আঘাত হানতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, এসব ঢেউ ৫০ সেন্টিমিটার থেকে ১ মিটার উঁচু। আরও উঁচু ঢেউয়ের আঘাতের সময় এগিয়ে আসছে। সম্ভাব্য বড় সুনামির জন্য পরবর্তী ৯০ মিনিট সত্যিকার অর্থে বিপজ্জনক সময়।

আরও পড়ুন: