নক্ষত্রের শক্তি জোগানো পারমাণবিক ফিউশন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অফুরন্ত পরিচ্ছন্ন জ্বালানির স্বপ্ন পূরণে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল চীন। দেশটির কৃত্রিম সূর্য খ্যাত পারমাণবিক ফিউশন প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং ও শিল্পভিত্তিক উন্নয়নে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।
২০২৬ সালের শেষের দিকে ডিভাইসটির পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়ন এবং ২০২৭ সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফিউশন দহন পরীক্ষা চালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো হুয়ানলিউ-৩ বা এইচএল-৩ নামক পারমাণবিক ফিউশন চুল্লি, যা সাধারণভাবে কৃত্রিম সূর্য নামে পরিচিত। এটি নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক ফিউশন ঘটানোর একটি বৃহৎ মাপের বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।
এইচএল-৩ এরইমধ্যে ১২০ মিলিয়ন ডিগ্রি আয়ন তাপমাত্রা এবং ১৬০ মিলিয়ন ডিগ্রি ইলেকট্রন তাপমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ফিউশন প্রযুক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক বাই শিংইয়ু জানান, আমরা ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এইচএল-৩ ডিভাইসের সম্পূর্ণ আধুনিকায়ন সম্পন্ন করব এবং ২০২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিউশন দহন পরীক্ষা শুরু করব। এই পরীক্ষাগুলো চীনের নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ ফিউশন শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে।
সূত্র: সিএমজি