নীলগিরির এই শান্ত পাহাড়ি শহরের সঙ্গে রয়েছে রামায়ণের সাই পল্লবীর শিকড়

নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’ সিনেমায় সীতা চরিত্রে অভিনয় করে এখন চারদিক থেকে ভালোবাসা কুড়াচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী। তবে সিনেমার বাইরে এই অভিনেত্রীর রয়েছে এক বিশেষ পরিচয়। তিনি আদিবাসী বাডাগা সম্প্রদায়ের এবং তার পৈতৃক শেকড় রয়েছে তামিলনাড়ুর নীলগিরি অঞ্চলের একটি ছোট্ট পাহাড়ি শহর কোতগিরিতে।

নীলগিরিতে ছুটির পরিকল্পনা করলে সাধারণত সবার আগে উটি বা কোনুরের নাম মাথায় আসে। তবে ভিড়ভাট্টা থেকে দূরে চা বাগান, বনের পথ, জলপ্রপাত ও পর্বত দর্শনীয় স্থানে ভরপুর কোতগিরিও ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক চমৎকার বিকল্প।

শহরটির নামের অর্থ হলো ‘কোটা পাহাড়’, যা নীলগিরির আদিবাসী কোটা সম্প্রদায়কে নির্দেশ করে। এখানেই বসবাস করে বাডাগা সম্প্রদায়, যার সঙ্গে সাই পল্লবীর পূর্বপুরুষের সম্পর্ক রয়েছে। ১৮১৯ সালে ব্রিটিশ প্রশাসক জন সুলিভান অঞ্চলটি পরিদর্শনের পর কোতগিরি একসময় মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির অন্যতম গ্রীষ্মকালীন অবকাশ যাপন কেন্দ্রে পরিণত হয়। বর্তমানে এর চারপাশ জুড়ে রয়েছে চা বাগান, সবুজ উপত্যকা ও চিরহরিৎ বনের ছোঁয়া।

কোতগিরিতে ঘুরে দেখার মতো রয়েছে চমৎকার কিছু স্থান:

কোদানাদ ভিউপয়েন্ট: এখান থেকে নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার ও মোয়ার নদীর ২২০ ডিগ্রি প্যানোরামিক দৃশ্য দেখা যায়।

লংউড শোলা: খোলা প্রকৃতি ও চা বাগানের বাইরে এই চিরহরিৎ পাহাড়ি বনটি পাখি দেখা বা সাধারণ হাঁটার জন্য উপযুক্ত।

রঙ্গস্বামী পিক ও পিলার: এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত প্রাকৃতিক ল্যান্ডমার্কগুলোর একটি, যা চমৎকার ট্রেকিং ট্রেইলে ঘেরা।

চা বাগানের মধ্য দিয়ে হেঁটে বেড়ানো, স্থানীয় কারখানায় চা তৈরির প্রক্রিয়া দেখা বা চা-টেস্টিং সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখানে। ওটির কোলাহল ছেড়ে নীলগিরির শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ উপভোগ করতে চাইলে কোতগিরি হতে পারে নিখুঁত এক গন্তব্য।

সূত্র: এনডিটিভি