মলদোভার বিচ্ছিন্নতাবাদী ট্রান্সডনিস্ট্রিয়ার সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা

মলদোভার বিচ্ছিন্নতাবাদী ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় ডোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী এই অঞ্চলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সামরিক স্থাপনায় একটি কামিকাজে ড্রোন আঘাত করেছে। এতে একটি ভবন ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে অঞ্চলটির নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার শিকার হওয়া সামরিক এই ঘাঁটিটি ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে ৬ কিলোমিটার (৪ মাইল) দূরে অবস্থিত। মলদোভার পূর্ব দিকের কাছাকাছি ২০০ কিলোমিটার (১২৫ মাইল) সম্মুখভাগে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘একটি রাডার স্টেশনকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল। ফলে স্টেশনটির সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেখানে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাস্থলে একটি তদন্তকারী দল কাজ করছে ‘

মন্ত্রণালয়টি আরও জানিয়েছে এই হামলার বিষয়ে একটি ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে। তবে এই মামলায় কোনও অপরাধী বা সন্দেহভাজনের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

বিচ্ছিন্নতাবাদী ট্রান্সডনিস্ট্রিয়ান অঞ্চলে টেলিভিশনে সম্প্রচার করা ভিডিওতে বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ড্রোন হামলার চিত্র দেখা গেছে। তবে ওই ভিডিওতে হামলায় ভবনগুলোর কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা দেখা যায়নি।

এই অঞ্চলে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ড্রোন হামলার ঘটনা এটি। এর আগে, মার্চে অঞ্চলটিতে ড্রোন হামলায় একটি হেলিকপ্টার ধ্বংস হওয়ার কথা জানিয়েছিল ট্রান্সডনিস্ট্রিয়ান কর্তৃপক্ষ।

ট্রান্সডনিস্ট্রিয়ান অঞ্চলকে আন্তর্জাতিকভাবে কোনও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এমনকি রাশিয়াও এই অঞ্চলটিকে স্বীকৃতি দেয় না। তবে দেশটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায়ে রেখে চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলটির কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ট্রান্সডনিস্ট্রিয়ায় প্রায় এক হাজার ৫০০ রুশ সেনা রয়েছে। তাদের ‘শান্তিরক্ষী’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।