উপসাগরে সামরিক মহড়ায় ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের প্রতি হুঁশিয়ারি বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর প্রধান জেনারেল হোসেইন সালামি। শুক্রবার মহড়ার চতুর্থ ও শেষ দিনে একই সঙ্গে ১৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার পর এই মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
আইআরজিসি’র এই মহড়ায় দীর্ঘ, মধ্য ও স্বল্প পাল্লা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। বাহিনীর দাবি, এগুলো নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। একই দিনে ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্সের দশটি কমব্যাট ড্রোন একসঙ্গে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে।
আইআরজিসি ডেপুটি চিফ অব অপেরেশন্স এবং এই মহড়ার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্বাস নিলফোরুশান বলেছেন, এই মহড়া ইসরায়েলের জন্য সরাসরি সতর্ক বার্তা বহন করছে। পাশাপাশি ইরানের প্রতিবেশী এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য শান্তির বার্তা রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে আইআরজিসি প্রধান জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন, এই মহড়া জায়নবাদী শাসক কর্তৃপক্ষের জন্য একটি স্পষ্ট, গুরুতর ও সত্যিকার হুঁশিয়ারি তাদের ভুল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার জন্য। তারা যদি ভুল পদক্ষেপ নেয় আমরা তাদের হাত কেটে দেব।
সালামি বলেন, প্রকৃত অভিযান ও সামরিক মহড়ায় দূরত্ব শুধু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সামান্য কোণ পরিবর্তন করা।
ইরানের দাবি, তাদের কাছে ২ হাজার কিলোমিটার অতিক্রম করতে পারে এমন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম।
মহড়ায় ইমাদ, কাদর, সিজ্জিল, যিলযাল ও জুলফিকার নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।