ফেসবুকের অনুসন্ধান বিভাগের প্রধান টম স্টকি এক পোস্টে এ অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এ অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ৫ মিনিটেই শেষ যুক্তরাজ্যে ইসলামবিরোধী বিক্ষোভ
ফেসবুককে ঘিরে এ বিতর্ক শুরু হয় মূলত টেকনোলজিভিত্তিক ওয়েবসাইট গিজমডোতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ব্রেইটবার্টের মতো রক্ষণশীল একটি গোষ্ঠীর পোস্ট ট্রেন্ড তালিকায় চলে আসলে তা ব্যবহারকারীর নিউজ ফিডে না দেখানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফেসবুক। একই প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ শিরোনামের আরেকটি টপিকও ব্লক করে ফেসবুকের ট্রেন্ড এডিটররা।
বিতর্কের কারণ হলো, ফেসবুক আগে জানিয়েছিল ট্রেন্ড তালিকা নিরপেক্ষ থাকবে। ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের পোস্ট বা বিষয়গুলোই নিউজ ফিডে দেখাবে। ফলে এ তালিকা সম্পাদনা করা বা নির্দিষ্ট কনটেন্ট ব্লক করাতে ফেসবুক সমালোচনার মুখোমুখি হয়।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়
ট্রেন্ড তালিকা নিরপেক্ষভাবে দেখানো হয় দাবি করে টম স্টকি জানান, ট্রেন্ড তালিকায় কারিগরি করা সম্ভব নয়। এ তালিকা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে চলমান জনপ্রিয় বিষয়গুলো দেখানো যায়। একটা নির্দিষ্ট অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করেই এ তালিকা তৈরি হয়। তবে তালিকাটি পর্যালোচনা করার জন্য ফেসবুকের একটি রিভিউ টিম রয়েছে। যারা পর্যালোচনা করে দেখেন, যে সংবাদ বা কনটেন্ট ট্রেন্ড তালিকায় উঠে এসেছে তা বাস্তবসম্মত কি না।
টম স্টকি আরও বলেন, ফেসবুক আর্টিফিসিয়ালি কোনও ট্রেন্ডিং টপিক অপসারণ করে না বা দেখায় না। রিভিউ টিমকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে রিভিউ টিম টাইলে একাধিক বিষয়কে ট্রেন্ডিং তালিকায় দেখাতে পারে। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।
/এএ/বিএ/